বিজ্ঞাপন
সিলনা গ্রামের ‘কীর্তন’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ডা. বাবর বলেন, “গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা অপারেশনের ব্যবস্থা করাসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। আমার মেয়াদে সাধারণ রোগীদের আর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা কিংবা খুলনায় রেফার করার প্রয়োজন পড়বে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের মাধ্যমে গোপালগঞ্জকেই আমি চিকিৎসার মডেলে পরিণত করব।” পেশায় চিকিৎসক হওয়ায় স্বাস্থ্যখাতের সমস্যাগুলো তিনি খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করেন বলে জানান।
এ সময় ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বিএনপি প্রার্থী বলেন, “আপনারা এই দেশেরই সন্তান। আপনাদের ধর্মীয় ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক—হারি কিংবা জিতি—আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকব। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।” নিজেকে ‘এলাকার সন্তান’ দাবি করে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি নেতৃবৃন্দের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোজ কান্তি বিশ্বাস খোকন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক যোবায়ের শেখ এবং সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা ও পৌর ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সভা শেষে ডা. বাবর স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং আগামী নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...