বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি যখন আগে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে পৃথক মন্ত্রণালয় তৈরি করেছিল। এবার ইনশাআল্লাহ ক্ষমতায় গেলে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের দেখভাল ও কল্যাণের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র। শহীদ পরিবারগুলোর কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে এটি আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে আহতদের ক্ষতিপূরণ ও সহযোগিতা দুইভাবে নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রথমত, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তাদের সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। দ্বিতীয়ত, তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা, যেন যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তারা রাজপথে নেমেছিলেন তা সফল হয়।
স্বজন হারানোর বেদনা অত্যন্ত কষ্টের উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের বড় দায়িত্ব রয়েছে। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সেই দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং জনগণের রায়ে সরকার গঠন করলে পর্যায়ক্রমে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে।
নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠা করা। আর এই লক্ষ্য অর্জনে আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হই, তবে শোক সমাবেশ চলতেই থাকবে। তাই শোক নয়, বরং গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনার সময় এসেছে।
সবশেষে তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের সম্পর্কে প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। ২০২৪ সালের সাহসী মানুষদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনো বিকল্প নেই।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...