বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রার্থীদের নাম ও ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
ঘোষিত আসনগুলোতে এনসিপির প্রার্থীরা ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বাকি ৩টি আসনের প্রার্থীর নামও খুব দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে। এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এনসিপির ঘোষিত হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং কুমিল্লা-৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। এ ছাড়া পঞ্চগড়-১ আসনে লড়বেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাওয়ারী, ঢাকা-১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৯ আসনে দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ এবং ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিন এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—নোয়াখালী-৬ আসনে আবদুল হান্নান মাসউদ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মাহবুব আলম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আবদুল্লাহ আল আমিন। বন্দরনগরী চট্টগ্রাম-৮ আসনে লড়বেন জোবাইরুল হাসান আরিফ।
এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা আশরাফ মাহদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ এবং নাটোর-৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদির ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে মাঠে নামবেন। এনসিপির এই তালিকায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখকে দেখা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ১০টি রাজনৈতিক দল ২৫৩টি আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছিল। এই জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থাকার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তারা সরে দাঁড়িয়ে এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচনের ঘোষণা দেয়।
ইসলামী আন্দোলন সমঝোতা থেকে সরে যাওয়ায় এনসিপি এখন তাদের আসন সংখ্যা আরও বাড়াতে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। দলটির মোট ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বর্তমানে ৩০টি আসন নিয়ে দেনদরবার চলছে। জামায়াত এখনো ইসলামী আন্দোলনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় আসন সমন্বয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পেতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...