বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মান্দাইল মৌজার রেকর্ডভুক্ত ৩২ শতাংশ রোজিয়া বেগম রোজীর পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে ভোগ দখল করে আসছিলেন। রোজিয়ার ছোট বোন মর্জিনা বেগম তার অংশ নারিশ এগ্রো লিমিটেডের কাছে বিক্রি করলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রতারণার মাধ্যমে রোজিয়ার অংশও দলিল ও খারিজ করে নেয়।
বিষয়টি নিয়ে শেরপুর সহকারী ভূমি অফিসে মিস কেস নং-১১৭ (১৩)/২০২৫-২০২৬ দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির আগের দিন সকাল ১০টায় নারিশ এগ্রো লিমিটেডের ব্যাপস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আহসান খালেদ ও ল্যান্ড অফিসার রফিকুল ইসলাম রফিক জোরপূর্বক জমির চারপাশে ইটের প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন। বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ করলেও বিকেলে পুনরায় এসে জমিতে থাকা প্রায় ১৫ হাজার টাকার সরিষা গাছ নষ্ট ও ৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলেন। এতে মোট প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয় এমনকি প্রতিবাদ জানালে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।
সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, কাউছার আহমেদসহ স্থানীয় আরো পাঁচজন বলেন এই জমি রোজিয়ার পৈতৃক সম্পত্তি তারা নিজেরাই ভোগদখল করেছে এতো দিন যাবত কিন্তু কোম্পানি তাদের জমি ক্রয় না করেই মর্জিনার অংশের সাথেই পুরো জমি দলিল ও খারিজ করে নেয় এবং জোরপূর্বক গাছ কেটে ইটের প্রাচীর নির্মাণ করে।
এ বিষয়ে নারিশ (এগ্রো:) লিমিটেডের ল্যান্ড অফিসার রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, দখলের ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমি জমি ক্রয় করেছি ২০১৭ সালে মর্জিনার ভাইয়ের সাথে আলোচনা করে। আমার খাজনা খারিজ সম্পুর্ণ আপডেট আছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইব্রাহিম আলী বলেন অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...