তারেক রহমান। ফাইল ছবি
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে যশোরের সেই ‘অ্যালবেনিজম’ রোগে আক্রান্ত অতি ফর্সা রঙের শিশু আফিয়াকে প্রতিশ্রুত ‘নতুন ঘর হস্তান্তর’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া চাঁদপাড়া গ্রামের শিশু আফিয়ার জন্মের পর তার গায়ের রং ‘অতি ফর্সা’ হওয়ায় বাবা মোজাফফর হোসেন তাকে অস্বীকার করেন এবং স্ত্রী মনিরা খাতুনকে তালাক দিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। গণমাধ্যমে এই অসহায় মা ও শিশুর মানবেতর জীবনের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই আজ তাদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, "আমরা জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করব। পানির কষ্ট দূর করতে পুনরায় ‘খাল কাটা কর্মসূচি’ চালু করা হবে।" স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।
এছাড়া তিনি শিক্ষিত নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং সমাজের অবহেলিত মসজিদের ইমাম, খতিবসহ ধর্মীয় গুরুদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আফিয়ার মা মনিরা খাতুন। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "অমানবিক প্রত্যাখ্যানের পর যখন আমি নিরাশ্রয় ছিলাম, তখন তারেক রহমান আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন।" এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...