বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোনা জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. মরিয়ম মুন মুঞ্জুরী এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রুবিনা আক্তার (৩০) কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের রুক্কু মিয়ার সঙ্গে কলমাকান্দার কৈলাটি গ্রামের রুবিনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো। রুক্কু মিয়া চাকরির সুবাদে গাজীপুরে বসবাস করতেন এবং সেখানে স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
ঘটনার প্রায় এক মাস আগে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে রুবিনা আক্তার গাজীপুর থেকে বাবার বাড়ি কলমাকান্দার কৈলাটি গ্রামে চলে আসেন। পরে ঈদের ছুটিতে রুক্কু মিয়া গ্রামে আসেন। ঈদের পরদিন ২০২১ সালের ১৪ মে বিকেলে সন্তানদের দেখার উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়িতে যান তিনি।
সেদিন রাতে শ্বশুরবাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ার পর রুবিনা আক্তার কুড়াল দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে রুবিনার বড় ভাই মো. রুবেল ফোন করে নিহত রুক্কু মিয়ার ভাই আসাদ মিয়াকে বিষয়টি জানান।
পরদিন সকালে আসাদ মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্বশুরের বাড়ির একটি কক্ষে খাটের ওপর ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আসাদ মিয়া বাদী হয়ে রুবিনা আক্তারকে আসামি করে কলমাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে উভয় পক্ষের শুনানি ও ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...