বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘কমপাস’ জানায়, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ২টার দিকে যখন বাসিন্দারা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, তখনই পশ্চিম বান্দুংয়ের পাসিরলাঙ্গু গ্রামে এই ভূমিধসটি ঘটে। মাউন্ট বুরাংরাং পাহাড়ের ঢাল থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোতে প্রায় ৩০টি বাড়ি মুহূর্তেই মাটির নিচে চাপা পড়ে।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, “নিখোঁজের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় আমরা আজ সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছি।” ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি প্রায় ৩০ হেক্টর (৭৪ একর) জুড়ে বিস্তৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভূমিধসের পাশাপাশি স্থানীয় চিতারুম ও চিবিত নদীর পানি উপচে পড়ায় পশ্চিম জাভার কারাওয়াং জেলার ২০টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা আগেই ওই অঞ্চলে এক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টিপাত ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল।
এই প্রাণঘাতী দুর্যোগের নেপথ্যে পরিবেশের ক্ষতি করার সন্দেহ জোরালো হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ান সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দুর্যোগে সহায়ক ভূমিকা পালন করার অভিযোগে ৬টি কোম্পানির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও বিপর্যয় এড়াতে ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...