বিজ্ঞাপন
বাসিলান প্রশাসন ও কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামক ফেরিটি বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। কিন্তু যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি মাঝ সমুদ্রে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় ফেরিটিতে মোট ৩৫৯ জন আরোহী ছিলেন। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের ডুবুরিরা এ পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানান, "জীবিত উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমাদের উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে।"
বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতাকে আরও গতিশীল করতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। কর্মীসংকটের কারণে মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। মিন্দানাও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ বর্তমানে উদ্ধার কাজের সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে।
দ্বীপরাষ্ট্র ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা একটি নিয়মিত বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালেও দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে প্রায়ই এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...