বিজ্ঞাপন
ভারী তুষারপাতের ফলে কোঠি-মানালি জাতীয় সড়কটি অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। রাস্তায় বরফ জমে থাকায় প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানবাহনের লাইন তৈরি হয়েছে। ট্যাক্সি চালক বান্টি জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ির যাত্রীরা দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা ধরে খাবার ও পানি ছাড়াই গাড়িতে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় যে, অনেক পর্যটক জীবন বাঁচাতে প্রায় ২০ কিলোমিটার পাহাড়ি খাড়া পথ হেঁটে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রবল তুষারপাতের জেরে রাজ্যজুড়ে ৬৮৫টি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পর্যটন মৌসুমে হোটেলগুলোতে তিল ধারণের জায়গা না থাকায় নতুন আসা পর্যটকরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন।
আটকে পড়া চালক ও পর্যটকদের অভিযোগ, রাস্তা থেকে বরফ সরিয়ে যাতায়াত সচল করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেসিবি বা প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দল সময়মতো পৌঁছায়নি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শিমলা, কুলু ও মানালিতে বরফ দেখার টানে দিল্লি, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা থেকে আসা পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ছে। তবে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমা ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে ২৬ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রশাসন পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে থাকার এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া পাহাড়ি রাস্তায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে খাবারের সংকট ও তীব্র ঠান্ডায় খোলা আকাশের নিচে বা গাড়িতে রাত কাটানো পর্যটকদের উদ্ধার করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...