ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ বা শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র এলাকায় তার নির্দেশে কয়েকজন বহিরাগতকে কান ধরে ওঠবস করানোর দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওগুলো ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হলে এর প্রেক্ষিতেই তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সর্বমিত্র চাকমা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। শুরু থেকেই ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে রেজিস্টার্ড রিকশা চালু করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছেন। তবে বাস্তবতা হলো, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র এলাকায় আজও কোনো সিসি ক্যামেরা নেই এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দুর্বল।
তিনি আরও বলেন, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, তার ভাবনা ও কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা। নিজের দায়িত্বের সীমার বাইরেও গিয়ে তিনি সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছেন। তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক অবস্থার ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা আর নেই বলেও তিনি জানান।
সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগের ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ডাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...