বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বানাই বাজারের একটি দোকানে বিএনপির এক নেতার বিড়ি চাওয়া নিয়ে জনৈক ব্যক্তির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। সাধারণ এই বাগবিতণ্ডা একপর্যায়ে সহিংস রূপ নেয় এবং উত্তেজিত পক্ষটি স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এসময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করে অবমাননা করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কার্যালয়ের অভ্যন্তরে আসবাবপত্র ও ছবিগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে।
ঘটনার পেছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। এক ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, পার্শ্ববর্তী ভাণ্ডারিয়া থেকে বহিরাগত লোক এনে একটি ‘আওয়ামী চক্র’ পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
আহত জুয়েল তালুকদার সরাসরি ফয়সাল তালুকদারকে এই হামলার উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। তবে ফয়সালের পিতা ফারুক তালুকদার এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "জুয়েল তালুকদার আগে আওয়ামী লীগ করতো। এখন বিএনপি সেজে সে মূল ধারার বিএনপিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। আমার ভাই বাদশা তালুকদার আজীবন বিএনপি করে আসছে। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই।"
এদিকে অভিযুক্ত বাদশা তালুকদার মুঠোফোনে জানান, ঘটনার সময় তিনি রংপুরে ছিলেন এবং বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি জানান তিনি।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মীরবহার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "দলীয় কার্যালয় ও নেতৃবৃন্দের ছবি ভাঙচুরের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ঘটনায় আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।"
কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু নাছের রায়হান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...