বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি ৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৈমুর হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৈমুর হাসান জানান, ঢাকা সেক্টরের আওতাধীন এলাকাগুলোর মধ্যে ফরিদপুর জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার চারটি সংসদীয় আসনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোট ১৩ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটাররা যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনসমাগমস্থল এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করা হবে। বিশেষ করে রাজধানীর প্রবেশপথ এবং জেলার সংযোগ সড়কগুলোতে কঠোর চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হবে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এবারের নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবি সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ও নাইট ভিশন ডিভাইসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবেন। এছাড়া পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক সামাল দিতে ফরিদপুরে বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট) ও কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং প্রয়োজনে আকাশপথে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী এবার বিজিবির ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নমনীয়তা রয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার সহায়তা চাইলে কিংবা কেন্দ্রে কোনো ধরনের সহিংসতা বা জাল ভোটের আশঙ্কা দেখা দিলে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ফরিদপুরের অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে এবার বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিজিবির এই কঠোর অবস্থানের ফলে জেলার সাধারণ ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...