কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী জনসভায় জামায়াত জোটের নেতারা। ইনসেটে সাদিক কায়েম
বিজ্ঞাপন
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাদিক কায়েম বলেন, "ডা. আব্দুল্লাহ তাহের চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি কেবল জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই নয়, বরং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের কাছে এক আদর্শ ব্যক্তিত্ব।"
সাদিক কায়েম আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৬ বছরের দুঃশাসনে যারা রাজপথে থেকে জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন, ভোটাররা এবার তাদেরই নির্বাচিত করবেন।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ডাকসু ভিপি বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের চেতনাকে সবচেয়ে বেশি ধারণ করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির শহিদ পরিবারের সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের পাশে থাকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা অনন্য। বিগত ৫৪ বছরের সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "অনেকেই ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু কতজন তা রক্ষা করেছেন?"
আগামী নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, দেশের তরুণ সমাজ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে। তারা এমন প্রার্থীদের ভোট দেবে যারা চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করবে এবং জুলাই আন্দোলনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবে।
নির্বাচনী এই জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুম, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে চৌদ্দগ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বক্তারা এই নির্বাচনকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফ কায়েমের লড়াই হিসেবে অভিহিত করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...