বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সব বয়সের মানুষের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন নির্বাচন। ভোটাররা প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা, অতীতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং এলাকার সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক করছেন। এই রাজনৈতিক আড্ডার ফলে চায়ের দোকানগুলোতে জনসমাগম যেমন বেড়েছে, তেমনি চা ও নাস্তার বিক্রিও প্রায় ২০-৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
সদরের চাঁদেরহাট বাজারের চা ব্যবসায়ী ভুবন রায় জানান, "সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষ চায়ের কাপে ভোট নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত সময় পার করছে। মাঝে মাঝে তর্ক-বিতর্ক হলেও তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত ঈর্ষা দেখা যায় না।"
অন্যদিকে, থানের ঘাট বাজারের চা ব্যবসায়ী হাবিবুর মিয়া বলেন, "সন্ধ্যা নামলেই দোকানে ভিড় বেড়ে যায়। সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে মানুষ নির্বাচনী আলাপ নিয়েই দীর্ঘ সময় দোকানে বসে থাকছে, ফলে আমাদের বিক্রি আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর ভোটের স্বতঃস্ফূর্ত আমেজ সাধারণ ভোটারদের মনে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তারা মনে করছেন, যদি নির্বাচনী পরিবেশ শেষ পর্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে ভরপুর ও শান্তিপূর্ণ থাকে, তবে ভোটারদের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ও মনের আশা পূর্ণ হবে।
সামগ্রিকভাবে, নীলফামারীর চায়ের আড্ডাগুলো এখন সাধারণ মানুষের জনমতের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও প্রত্যাশার কথা অকপটে তুলে ধরছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...