বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত ধারাবাশাইল বাজারের বালুর মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্য প্রদানকালে এস এম জিলানী যখন প্রদীপ অধিকারীর কথা উল্লেখ করেন, তখন তিনি নিজেকে সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। জিলানীকে কাঁদতে দেখে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের চোখও অশ্রুসজল হয়ে ওঠে।
প্রদীপ অধিকারী কোটালীপাড়ার কান্দি গ্রামের হরবিলাস অধিকারীর ছেলে এবং ঢাকা কলেজের মেধাবী ছাত্র ছিলেন। সম্প্রতি এস এম জিলানীর একটি মিছিলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি প্রাণ হারান।
বিকেল ৪টা থেকেই কান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাক-ঢোল ও কাঁসা বাজিয়ে নেতাকর্মীরা সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। এরই মধ্যে মিছিলের অগ্রভাগে খালেদা জিয়া সেজে উপস্থিত হওয়া দুই খুদে শিক্ষার্থী সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এস এম জিলানী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ করতালির মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান। খুদে শিক্ষার্থীরাও হাত নেড়ে সেই অভিনন্দনের জবাব দেয়।
এস এম জিলানী তার বক্তব্যে আসন্ন ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন দুটি পক্ষে বিভক্ত—একটি স্বাধীনতার স্বপক্ষে এবং অন্যটি বিপক্ষে। যখনই দেশ ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, এ দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করেছে।”
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৪ লক্ষ গৃহিণীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকার নিত্যপণ্য কেনা সম্ভব হবে। কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজসহ নানা সুবিধা দিতে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের জন্য হেলথ কার্ডেরও ব্যবস্থা করা হবে।
কান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, বিএনপি নেতা কাজী অমিত মাহমুদ, শিক্ষক দিলীপ রায়, জগদীশ মল্লিক, অনিল চন্দ্র বিশ্বাস, ব্যবসায়ী শসীম কুমার রায়, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মান্নান শেখ এবং কান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নোমান মাহমুদ প্রমুখ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...