বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে তিনটায় উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের নাচনাপাড়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত বায়জিদ টিয়াখালী ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে একই ইউনিয়নের ইটাবাড়িয়া গ্রামের নাহিদা আক্তারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বায়জিদের বিয়ে হয়। তবে দাম্পত্য জীবনের এক বছর পার হতেই পরিবারে অশান্তি শুরু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ আগে বায়জিদের স্ত্রী নাহিদা আক্তার হঠাৎ নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় বায়জিদ নিজে কলাপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, স্ত্রী নাহিদা পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে অন্য কারও সঙ্গে পালিয়ে গেছেন—এমন বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন বায়জিদ। মূলত স্ত্রীর এই বিশ্বাসঘাতকতা ও নিখোঁজ হওয়ার অভিমানেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে বাড়িতে বায়জিদ ও তার মা অবস্থান করছিলেন। দুপুরের দিকে মায়ের অগোচরে নিজের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরে ঘরের ভেতরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...