বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ত্রাণ সরবরাহ সমন্বয়কারী সংস্থা ‘কোগাট’ (COGAT) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সোমবার থেকে এই ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫০ জন গাজা ত্যাগ করতে পারবেন এবং ৫০ জন গাজায় প্রবেশ করতে পারবেন।
কোগাটের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাফাহ ক্রসিং দিয়ে যাতায়াতকারীদের কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। গাজা ও মিসরের সিনাই উপত্যকার সংযোগস্থল এই ক্রসিংটি ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনী পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছিল।
গাজা যুদ্ধের অবসানে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০টি পয়েন্ট সম্বলিত তিন পর্বের একটি শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছিলেন। সেই পরিকল্পনার অন্যতম শর্ত ছিল রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়া। ইসরায়েল ও হামাস এই প্রস্তাবে সায় দেওয়ার পর গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। বর্তমানে সেই শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
গাজার সরকারি মিডিয়া দপ্তরের পরিচালক ইসমাইল আল দাওয়াব্দা জানিয়েছেন, বর্তমানে গাজায় প্রায় ২২ হাজার আহত ও অসুস্থ ফিলিস্তিনি রয়েছেন, যাদের জরুরি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলার প্রথম দিনেই (সোমবার) চিকিৎসার জন্য নথিবদ্ধ হওয়া ৫০ জন রোগীকে মিসরে পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি মিসরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ক্রসিংটি খুলে যাওয়ায় তাদের নিজ ভূমিতে ফেরার পথ প্রশস্ত হলো। গাজাবাসীর জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণের বড় অংশও এই পথ দিয়ে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি, আলজাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...