বিজ্ঞাপন
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করেন। শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. আবুল কালাম আজাদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাকে প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আইন অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, মনোনয়নপ্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে। মৃত ব্যক্তিকে অবশ্যই কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত ‘বৈধ প্রার্থী’ হতে হয়।
বিধি মোতাবেক, প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের ভোট স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন ওই আসনের জন্য নতুন করে তফসিল ঘোষণা করবে এবং পুনরায় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
তবে আইন অনুযায়ী কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে নির্বাচন স্থগিত হয় না। যদি মৃত ব্যক্তি চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী হওয়ার আগেই মারা যেতেন কিংবা ওই আসনে একই দলের অন্য কোনো বৈধ বিকল্প প্রার্থী থাকতেন, তবে নির্বাচন যথানিয়মে সম্পন্ন হতো। শেরপুর-৩ আসনে এমন কোনো পরিস্থিতি না থাকায় কমিশন ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...