বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কর্ণফুলীর শিকলবাহা কলেজ বাজারে জামায়াতের উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জোট নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, “আমরা ১১ দলীয় ঐক্য এক ও অভিন্ন। স্বৈরাচার রুখতে এবং জনগণের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা কোনো অবস্থাতেই পিছপা হব না। সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে স্পষ্ট—এই অঞ্চলে পরিবারতন্ত্রের অবসান অনিবার্য।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুবায়ের মানিক বলেন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসন নিয়ে জোটের মধ্যে যে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল, তা সফলভাবে নিরসন হয়েছে। তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান বিষয়টি সমাধানে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বোয়ালখালীতে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় ঐক্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। গণতন্ত্র রক্ষা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে জোটের সব শরিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার মনির আফসার চৌধুরী প্রতিপক্ষ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, একটি পক্ষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, অতীতে যেমন বিদ্যুতের খুঁটি বসানো হলেও সংযোগ দেওয়া হয়নি, তেমনি এই ধরনের প্রতিশ্রুতিও অন্তঃসারশূন্য হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গণি, কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর, বায়তুলমাল সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হারুন, ব্যবসায়ী ফোরাম সভাপতি ইলিয়াছ মেম্বার, এনসিপি নেতা ইরফান, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, আবদুল আউয়াল রানা প্রমুখ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...