বিজ্ঞাপন
আইন উপদেষ্টা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার পদত্যাগ করেছেন এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি ও আইনি জটিলতা থাকায় তাদের মাধ্যমে শপথ করানোর কোনো অবকাশ নেই। এক্ষেত্রে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দুটি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে।
প্রথম বিকল্প হিসেবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি—যেমন প্রধান বিচারপতি—নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে পারেন। প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি এই মনোনয়ন প্রদান করবেন। সরকার চায় নির্বাচনের পরপরই কোনো বিলম্ব ছাড়াই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে।
দ্বিতীয় বিকল্পটি সম্পর্কে তিনি জানান, যদি রাষ্ট্রপতি মনোনীত কেউ শপথ না পড়ান, তবে নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) স্বয়ং এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা করার বিষয়টি থাকায় সরকার প্রথম বিকল্পটির দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
আসিফ নজরুল আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান স্পিকার পদত্যাগ করেছেন এবং সাবেক সংসদীয় পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা থাকায় তাদের দ্বারা শপথ গ্রহণের কোনো আইনি ক্ষেত্র অবশিষ্ট নেই। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আইন উপদেষ্টা জানান, সংসদ সচিবের সঙ্গে আলোচনার পর আইনের প্রতিটি দিক পর্যালোচনা করে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে নিজের চূড়ান্ত অভিমত জানাবেন। এর মাধ্যমেই নতুন সংসদ গঠনের প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ পাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...