ছবি : জামায়াতের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ভিডিও বার্তা থেকে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সমর্থনে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে বিএনপির নাম সরাসরি উল্লেখ না করে বলেন, ভালো কাজ নিজের ঘর থেকে শুরু করতে হয়। কিন্তু দাগি অপরাধীদের বগলের নিচে আশ্রয় দিয়ে এমপি বানিয়ে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার ঘোষণা শুনলে ‘প্যাঁচাও হাসবে’।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট এই জাতি ‘আওয়ামী জাহেলিয়াত’ থেকে মুক্তি পেলেও ৬ আগস্ট সকাল থেকে একটি অংশ আবারও চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মামলাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুরাতন চাঁদাবাজের বোতলে নতুন চাঁদাবাজের জন্ম হওয়ার জন্য মানুষ লড়াই করেনি। যারা সাড়ে ১৫ বছর দেশের বাইরে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন, তারা ফিরে এসে এখন খুনের মামলা দিয়ে শত শত কোটি টাকা দাবি করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
যুবসমাজের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে অপমান করতে চাই না, বরং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাই। তরুণ সমাজ জানিয়ে দিয়েছে তারা পুরোনো বস্তাপচা রাজনীতি আর চায় না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিকে ‘রক্তের ঋণ’ শোধ করার দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের ইনসাফের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান।
১০ টাকা কেজি চালের প্রতিশ্রুতিকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দিয়ে তিনি বর্তমানের বিভিন্ন ‘কার্ড’ প্রথাকেও লাল কার্ড দেখানোর আহ্বান জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ইনসাফের সরকার কায়েম হলে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী—কেউই আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না এবং লুণ্ঠিত অর্থ বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক লড়াই চালানো হবে।
জনসভায় জামায়াত আমির ঘোষণা করেন, জনগণ যদি ১১ দলীয় জোটকে জয়ী করে তবে নাহিদ ইসলামের মতো তরুণদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “আমরা নাহিদ ইসলামের মতো তরুণদের পাইলট হিসেবে বসিয়ে নিজেরা পেছনের সিটে প্যাসেঞ্জার হয়ে বসব।” জনসভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...