বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন মানেই দমন-পীড়ন,সহিংসতার এই সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বিজয়ী দল হিসেবে বিএনপির ওপর দায়িত্ব বর্তায় যেন কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী বা সাধারণ মানুষ কোনো প্রকার উস্কানি বা প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হয়।
শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল অপরিহার্য। রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকবেই, কিন্তু সেটি যেন শত্রুতা বা দমন-নিপীড়নে রূপ না নেয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই হবে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বিজয়।
নির্বাচন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আর কোনো নির্দিষ্ট দলের নই, বরং আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। অর্থনীতি সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার রক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সবার মেধা ও শ্রম প্রয়োজন।
কোনো দল বা গোষ্ঠী নয়, বরং দেশ চলবে আইনের শাসন অনুযায়ী। অপরাধের বিচার হবে আইনি প্রক্রিয়ায়, রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়।
“আসুন আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেই। যেখানে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং বাকস্বাধীনতা হবে প্রশ্নাতীত।”
এখন সময় বিভাজনের নয়, বরং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠন করার। আমরা যদি আজ সহনশীলতা প্রদর্শন করতে পারি, তবেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারব।
লেখক- সাংবাদিক আঃ জলিল, সাবেক সভাপতি বাগআঁচড়া কলেজ ছাত্রদল ও শংকরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...