বিজ্ঞাপন
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সাদিয়ার সহকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী ও শরিফুর নাহার সাদিয়ার বাসায় যান। মৃত্যুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে বিথী সাদিয়ার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ পান এবং পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের খবর দিলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ননীলি সরকার গৌতম। একাধিক সূত্রের দাবি, সাদিয়ার সাথে ডা. গৌতমের দীর্ঘ ৬–৭ বছরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এমনকি একটি অনুষ্ঠানে সাদিয়াকে সিঁদুর পরিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই দীর্ঘ সময়ে তারা শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। এমনকি সাদিয়ার পাসপোর্টে সম্প্রতি থাইল্যান্ড ভ্রমণের ভিসাও লাগানো ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সাদিয়ার পরিবারের অভিযোগ, ডা. গৌতমের সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্নেই তিনি সাত মাস আগে তার স্বামীকে তালাক দিয়েছিলেন। তারা দাবি করেছেন, সাদিয়া ও ডা. গৌতমের পাসপোর্ট জব্দ করলে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। সাদিয়ার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে ডা. গৌতমকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর মধ্যেও এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি গ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...