বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনপত্রের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন— কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন। তারা সবাই নিজ নিজ আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাতিল বা পুনঃনিরীক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে গত রবিবার (১ মার্চ) পাবনা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং অপর প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউরের পৃথক দুটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ এনে তারা এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনে সংঘটিত যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে বিশেষ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বর্তমানে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চ এসব স্পর্শকাতর আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
আইনজীবীদের মতে, এসব আবেদনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার কারচুপি বা অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে উচ্চ আদালত। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রার্থীরা এই আইনি লড়াই শুরু করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...