বিজ্ঞাপন
ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি’র নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে পরপর কয়েক দফায় এই হামলা চালানো হয়।
তাংসিরি আরও উল্লেখ করেন, এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি মজুত রাখার বিশালাকার ট্যাঙ্কগুলো। এই অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক সক্ষমতাকে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি ইরানের।
এদিকে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সকল গোপন আস্তানাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে আইআরজিসি। শনিবার আমিরাত সরকারকে এক কঠোর বার্তায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, ইরানি ভূখণ্ডে হামলার পর আমিরাতের মাটিতে থাকা প্রতিটি মার্কিন গোপন আস্তানা এখন ইরানের নিশানায় থাকবে।
আইআরজিসি’র এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার বৈধ অধিকার হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন শত্রু, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, ব্যবহৃত বন্দর ও ডক এবং সৈন্যদের আস্তানাগুলোতে আক্রমণ চালানো হবে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাধারণ বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশটির বাসিন্দাদের মার্কিন সামরিক স্থাপনা, বন্দর এবং ডক থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের এই পদক্ষেপ ও হুঁশিয়ারি ওই অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...