বিজ্ঞাপন
বুধবার (৩ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের মাহমদপুর এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জরিনা বেগম মাহমদপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ফজর আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো পাশের একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন জরিনা বেগম। রাতের দিকে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় সুনামগঞ্জগামী ‘রাব্বি পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী লেগুনা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায় তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কৈতক ৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জরিনা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ঘাতক লেগুনাটি আটক করতে সক্ষম হলেও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে জয়কলস হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মাহমদপুর এলাকায় লেগুনার ধাক্কায় এক নারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত লেগুনাটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
উল্লেখ্য, একই দিন দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার দামোদরতপী এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিক সূত্রধর নামে এক শিশু নিহত হয়। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একই এলাকায় দুইটি প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা মহাসড়কে যানবাহনের বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ এবং পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...