বিজ্ঞাপন
প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, শান্তি আলোচনার আগে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘‘নতি স্বীকার’’ করতে হবে।
পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এটিই ছিল মোজতবা খামেনির প্রথম পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বৈঠক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে সর্বোচ্চ নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে ‘‘অত্যন্ত কঠোর ও অনমনীয়’’ অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল নতি স্বীকার করছে, পরাজয় মেনে নিচ্ছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।’’
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহ আগে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনির নতুন কোনো ছবি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানি সূত্রমতে, আলি খামেনিকে হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হামলায় তিনি সামান্য আহত হয়েছেন। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, তার আঘাত বেশ গুরুতর।
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই যুদ্ধ বর্তমানে তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যুদ্ধের প্রভাবে বর্তমানে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রয়েছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এবং প্রবল মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মিত্রদের সহায়তা চাইলেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।
এর আগে গত ১৪ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে দেওয়া কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছিল তেহরান। সর্বোচ্চ নেতার সিদ্ধান্তই ইরানের রাষ্ট্রীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ায় এই সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: রয়টার্স।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...