বিজ্ঞাপন
এ সময় জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে জেলা পুলিশ সুনামগঞ্জ, সদর উপজেলা প্রশাসন, জেলা আনসার ও বিডিপি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সুনামগঞ্জ সদরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এছাড়াও জাহাঙ্গীর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষার্থীবৃন্দ শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভার সূচনা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভাটি সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল। সভার শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে জাহাঙ্গীর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রশিদ আহাম্মেদ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত্রির নির্মম হত্যাযজ্ঞের কথা স্মরণ করেন। তিনি নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার আহ্বান জানান। জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার হাজী নুরুল মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, গণহত্যা দিবস জাতির ইতিহাসে এক শোকাবহ দিন; পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সেই বর্বরতা বিশ্ব ইতিহাসে নৃশংসতার অন্যতম দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার তাঁর বক্তব্যে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, শহিদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভা শেষে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...