বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কুকুড়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিদায়ী এই শিক্ষকের হাতে পিআরএল (Post Retirement Leave) পত্রটি তুলে দেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মো. রবিউল ইসলাম।
সাধারণত একজন শিক্ষক বা কর্মচারী অবসরে যাওয়ার পর পিআরএল মঞ্জুরির জন্য দীর্ঘ সময় দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মো. রবিউল ইসলামের বিশেষ উদ্যোগে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে বিদায়ী শিক্ষককে অবসরকালীন ছুটির অনুমোদনের জন্য পুনরায় অফিসে আসার কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে না।
পিআরএল পত্র হস্তান্তরের সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, "শিক্ষকরা জাতি গড়ার কারিগর। তাঁদের শেষ কর্মদিবসটি যেন সম্মানের এবং আনন্দদায়ক হয়, সেই লক্ষে আমরা কাজ করছি। সরকারি সেবা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই যেন তাঁদের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, এটি আমাদের সেই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার অংশ।"
পত্র গ্রহণকালে আবেগাপ্লুত হয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব ইন্দু ভূষণ রায় বলেন, "আমি কল্পনাও করিনি যে অবসরের দিনেই পিআরএল পত্র হাতে পাব। ডিপিইও মহোদয়ের এই আন্তরিকতা আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার। এটি নতুন প্রজন্মের শিক্ষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।"
অনুষ্ঠানে নীলফামারী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জছিজুল আলম মন্ডলসহ শিক্ষা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের এই দ্রুত ও ইতিবাচক পদক্ষেপ সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে স্থানীয় সচেতন মহল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...