বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৩ মে) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহতের স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এর সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য শাহদ্বীপের সমর্থক এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত ও রফিক মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগেও গত এক সপ্তাহের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার বিকেলে শাহদ্বীপ ভাটিপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলার শিকার হন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন রণসাজে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে গুরুতর আহত রতন মিয়া ও সোনাই মিয়াকে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছিল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে আলীনগর গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের ঘটনায় এবং পূর্ববর্তী সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
রতন মিয়ার মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছানোর পর নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...