বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরে আলমখালী বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “আমি হাওর পাড়ের সন্তান। হাওরের সমস্যা ও বাস্তবতা খুব ভালোভাবে জানি। অতীতে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। তাই অনিয়মের বিষয়ে আমরা কঠোর। প্রয়োজনে আমরা আরও কঠোর হতে পারি—কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, তাহিরপুরে যারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে আসেন, তাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। “শোনা যায়, এখানে চাকরি করতে আসতে টাকা লাগে—এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে,”—বলেন তিনি।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসন এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সদস্যদের সতর্ক করে দিয়ে এমপি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানিতে ফসল রক্ষায় নির্মিত বাঁধে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি হলে দায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, “হাওর এলাকার কৃষকের ফসল রক্ষা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। বাঁধ নির্মাণে অবহেলা বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।”
সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন এবং এই নীতি বাস্তবায়নে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
পাউবো কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “পিআইসির সদস্যরা যখন চেক নিতে যাবেন, সেখানে যদি কোনো টাকা কাটা হয় বা অনিয়ম হয়, তাহলে অবশ্যই তার জবাবদিহি করতে হবে। সবাইকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
এ সময় তিনি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান মানিক, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বলসহ স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও হাওরপাড়ের কৃষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...