বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরটি ‘বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার শিকার’ হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগত কারণে এই বিমানবন্দরটি বেশ কয়েকবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর আগে গত বুধবার বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলার ফলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। কুয়েত সরকার এসব ধারাবাহিক হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে আসছে।
শনিবারের এই হামলার পর কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের পরবর্তী ঝুঁকি এড়াতে এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই ড্রোন হামলার ঘটনা অঞ্চলটিতে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের হামলা আকাশপথের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...