বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ সকাল আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের বড়উদাস গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে বিষয়টি এলাকাবাসীর মাধ্যমে শ্রীপুর থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি মোছা. লিমা খাতুন (২৪)। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে ঝিনাইদহ জেলার হাটগোপালপুর এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে বাবার বাড়ি বড়উদাস গ্রামে বেড়াতে আসেন লিমা খাতুন। এর মধ্যে ৩০ মার্চ সন্ধ্যার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা রাতভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরদিন সকালে গ্রামের মাঠে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নিহতের স্বামী সুজন শেখ (২৫)-কে ঝিনাইদহ জেলার হাটগোপালপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে সুজন শেখ কৌশলে স্ত্রী লিমা খাতুনকে ডেকে নিয়ে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে এবং মরদেহ মাঠে ফেলে রেখে যায়।
এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...