বিজ্ঞাপন
ইরানি ওই কর্মকর্তা জানান, ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরুর আগে তাদের ‘সদিচ্ছার পরীক্ষা’ হিসেবে দেখছে তেহরান। একই সঙ্গে এটি আলোচনার টেবিলে বসার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বের প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জব্দকৃত সম্পদ ছাড় করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের শর্তের সাথে যুক্ত। অর্থাৎ, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে নির্বিঘ্ন নৌ-চলাচলের নিশ্চয়তা প্রদান করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানি অর্থ অবমুক্ত করবে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে ইরানের পণ্য রপ্তানির বিশাল অংকের অর্থ বিভিন্ন দেশে আটকা পড়ে আছে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ইসলামাবাদের আলোচনা শুরু হবে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে টানা ৪০ দিন রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও তা বর্তমানে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক হুঁশিয়ারিতে বলেছেন, যদি এই আলোচনা কোনো কারণে ব্যর্থ হয়, তবে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করা হতে পারে। তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে মার্কিন জাহাজগুলোকে ইতোমধ্যে উন্নত সমরাস্ত্রে সজ্জিত করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...