বিজ্ঞাপন
নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল সুরমা নদীর ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা সন্দেহজনকভাবে নদীপথে চলাচল করতে দেখা যায়। নৌ পুলিশ সদস্যরা নৌকাটিকে থামানোর সংকেত দিলে তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধাওয়া করে নৌকাটিকে নিয়ন্ত্রণে নেয় নৌ পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে নৌকার ভেতর থেকে ২৫৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— খালিয়াজুড়ি উপজেলার লিপসিয়া (লংকাপাড়া) গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে রিপন (২৮), হরমোজ আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (৩০) এবং শুধু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৮)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা গজারিয়া এলাকা থেকে মদের চালান সংগ্রহ করে নদীপথে ভৈরবের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র নদীপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে ভারতীয় মদ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত মদ, ব্যবহৃত নৌকা এবং আটক তিনজনকে লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে লালপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সজল কুমার কানু জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নদীপথে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নৌ পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল নৌ পুলিশের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে নদীপথে চোরাচালান রোধে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সুরমা নদীসহ বিভিন্ন নৌপথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।
খন্দকার শহীদুল ইসলাম
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...