বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে শেষ ঘণ্টার ক্লাস বর্জন করে তারা এই দাবি জানায়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও একাত্মতা প্রকাশ করেন।
আন্দোলন চলাকালে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইলিয়াস হোসেন, আকলিমা বেগম, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুহিন ইসলাম, অষ্টম শ্রেণির ইসরাত জাহান ও সপ্তম শ্রেণির সৈকত ইসলামসহ আরও অনেকে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একমাত্র মাঠটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। মাঠটি নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে হাঁটু সমান পানি জমে যায়। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পাশের রাস্তার নোংরা পানিও মাঠে ঢুকে পড়ে, ফলে বছরের অধিকাংশ সময় মাঠটি কর্দমাক্ত ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে থাকে।
বক্তব্য দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা জানায়, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পরিচ্ছন্ন মাঠ অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু মাঠের নাজুক অবস্থার কারণে তারা খেলাধুলা করতে পারছে না, এমনকি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মাঠের এই বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হক বলেন, "মাঠটি নিচু হওয়ায় এটি সংস্কার ও মাটি ভরাটের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা দপ্তরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ মেলেনি। বিদ্যালয়ের নিজস্ব সীমিত তহবিল দিয়ে এত বড় মাঠ সংস্কার করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।"
বিপাকে পড়া শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে মাঠটি ভরাট ও সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...