বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগের খবর পেয়ে সম্প্রতি ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া বলেন, "নূরপুর সড়কটি শুধু একটি গ্রামের নয়, এটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। সুরমা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে সড়কটির বড় অংশ বিলীন হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।"
জনদুর্ভোগ লাঘবে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, "মূল সড়কটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আমরা দ্রুত একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচল অন্তত স্বাভাবিক রাখা যায়। ইউনিয়নবাসীর কষ্ট লাঘবে খুব দ্রুতই এই বিকল্প সড়কের কাজ শুরু হবে।"
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নূরপুর, সুজাতপুরসহ রক্তি নদীর পূর্বপাড়ের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে আসছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের তীব্রতা বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বর্তমানে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে।
বহুদিন ধরে একটি স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা চেয়ারম্যানের সরেজমিন পরিদর্শন এবং দ্রুত বিকল্প রাস্তা নির্মাণের আশ্বাসে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তবে এলাকাবাসীর দাবি, শুধু অস্থায়ী বিকল্প সড়ক নয়, ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর বাঁধ নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। তাহলেই নূরপুরসহ আশপাশের গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তির স্থায়ী অবসান হবে।
চেয়ারম্যানের পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অজিত রায়, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসলাম নুরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...