বিজ্ঞাপন
রবিবার (৩ মে) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে 'অ্যাকশন ফর ট্রান্সফরমেশন' (এ৪টি) প্রকল্পের আওতায় এই যুব-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের আয়োজন করা হয়। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সমর্থনে সিডো ও সিডিওডব্লিউ সাতক্ষীরা এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
মানববন্ধনে বক্তারা কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রাণ সায়ের খালকে আর ময়লার ভাগাড় হতে দেওয়া হবে না। আজ থেকে কোনো বাসা-বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য এই খালে ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার দীর্ঘদিনের উদাসীনতায় এই ঐতিহ্যবাহী খালটি আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। খালের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য স্তূপ করার ফলে পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।
আন্দোলনরত যুব প্রতিনিধিরা অবিলম্বে পরিকল্পিত ডাম্পিং স্পট নির্মাণ এবং খাল থেকে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জোর দাবি জানান। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাতক্ষীরা পৌরসভার সামনে বিশাল মানববন্ধনসহ আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র শফিকুল উদদ্দৌলা সাগর, জেলা পরিবেশ সংরক্ষণ সংঘের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পল্টু বাসার, জিডিএফ সাতক্ষীরার সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি এবং সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস। এছাড়াও প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ইন্সপিরেটর প্রিয়াংকা সেন মৌসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মানববন্ধন চলাকালে রাজপথ ‘প্লাস্টিক কমাই, সবুজ পৃথিবী সাজাই’ এবং ‘বর্জ্য ফেলি ডাস্টবিনে, পরিচ্ছন্ন সাতক্ষীরা চাই’—এমন সচেতনতামূলক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
যুব সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, প্রাণ সায়ের খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা তাদের নাগরিক অঙ্গীকার এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তারা কঠোর নজরদারি বজায় রাখবেন।
পরিশেষে, শহরজুড়ে প্রয়োজনীয় ডাস্টবিন নিশ্চিত করা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিবেদক- মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন, সাতক্ষীরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...