বিজ্ঞাপন
আগের দিনের ৮৫ রান নিয়ে খেলতে নামা পাকিস্তানি তরুণ ওপেনার আজান আজ ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। ১৬৫ বলে ১০৩ রানের এই ঝলমলে ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৪টি চারে। আজানের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে এক পর্যায়ে ১ উইকেটে ২১০ রান তুলে ফেলেছিল পাকিস্তান, যা বাংলাদেশের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
সেঞ্চুরির ঠিক পরেই আজানকে ফিরিয়ে দিনের প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। এরপরই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে সফরকারীরা। অধিনায়ক শান মাসুদকে (৯) সাজঘরে পাঠান তাসকিন। পরের ওভারেই কোনো রান করার আগে সৌদ শাকিলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অর্ধশতক হাঁকানো ফজলও (৬০) বেশিক্ষণ টেকেননি, মিরাজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।
এক পর্যায়ে ২৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া পাকিস্তানকে টেনে তোলেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ১১৯ রানের বড় জুটি গড়ে আবারও ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। রিজওয়ান ৭৯ বলে ৫৯ এবং সালমান আগা ৯৪ বলে ৫৮ রান করে বিদায় নেন। তাদের উইকেট দুটি শিকার করেন তাইজুল ইসলাম ও মিরাজ।
শেষ দিকে লেজ ছেঁটে দেওয়ার দায়িত্ব একাই কাঁধে তুলে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণি বিষে নীল হয়ে ৩৮৬ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। এর ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। মিরাজ একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।
এর আগে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান করেছিল শান্তর সেঞ্চুরি (১০১), মুমিনুলের ৯১ এবং মুশফিকের ৭১ রানের ওপর ভর করে। পাকিস্তানের পক্ষে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন মুহাম্মদ আব্বাস। ২৭ রানের লিড হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...