বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের পাহাড় গড়ে পাকিস্তানকে ম্যাচ জয়ের জন্য ৪৩৮ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রান করা পাকিস্তান চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের তোপের মুখে পড়ে।
মিরপুর টেস্টের নায়ক আব্দুল্লাহ ফজলকে (৬) গালিতে মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন গতিদানব নাহিদ রানা। এরপর ২১ রান করা আজান আওয়াইসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। ৪১ রানে ২ ওপেনারকে হারানোর পর বাবর আজম ও শান মাসুদ জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তবে বাবর আজমকে ৪৭ রানে ফিরিয়ে এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিলকে (৬) নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন নাহিদ রানা। সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকা শান মাসুদকে (৭১) মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যাচে পরিণত করে সাজঘরে পাঠান তাইজুল।
১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন দ্রুত অলআউটের শঙ্কায়, তখন বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগার জুটি। এই দুই ব্যাটার মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ১৩৪ রানের এক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ যখন প্রায় পাকিস্তানের দিকে হেলে পড়ছিল, ঠিক তখনই আবারও ত্রাতা হয়ে আসেন তাইজুল ইসলাম।
৭১ রান করা সালমান আলীকে দারুণ এক বলে বোল্ড করে ব্রেক-থ্রু এনে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সালমানের বিদায়ের পর উইকেটে এসে মাত্র ৬ বল টিকতে পেরেছেন হাসান আলী। তাইজুলের ফিরতি ওভারেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৮৩ রানে অপরাজিত আছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।
চতুর্থ দিনের পিচের ফায়দা পুরোপুরি তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিন জাদুকর তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত ১১৩ রান খরচায় তিনি একাই শিকার করেছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ২টি ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১টি উইকেট লাভ করেন। পঞ্চম দিনে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে আরও একটি রূপকথার জয় ওলটপালট করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...