বিজ্ঞাপন
ধারাবাহিক এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্সের পর ক্রিকেট মহলে চারদিক থেকে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন রানা। তবে চারপাশের এই বন্দনায় গা ভাসাতে রাজি নন তিনি। আজ ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রানা সাফ জানিয়ে দেন, "চারপাশে আমাকে নিয়ে কে কী বলল, তা আমি দেখি না। টিম আমার কাছে কী চায় এবং তার কতটুকু আমি মাঠে দিতে পারছি, সেটাই আমার মূল লক্ষ্য থাকে।"
আজ পাকিস্তানের ব্যাটিং স্তম্ভ বাবর আজমকে আউট করা নিয়ে কথা বলেছেন এই গতিদানব। বাবরকে পরাস্ত করার কৌশল নিয়ে তিনি বলেন, "বাবর আজমকে আউট করার বলটা আমি ইচ্ছে করেই স্লোয়ার দিয়েছিলাম, যাতে ও বিভ্রান্ত হয়।"
একই সঙ্গে নিজের বোলিং অস্ত্র ও আগ্রাসী মনোভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষ ব্যাটার ও বোলারদের উদ্দেশ্যে কড়া হুশিয়ারি দিয়ে রানা বলেন, "মাঠে আমাকে কেউ বাউন্স মারলে, সে যে বোলারই হোক না কেন—আমি তাকে ছেড়ে কথা বলব না। আমিও তাকে বাউন্স দিয়েই জবাব দেব।"
নিজের এই সাফল্যের পেছনে সতীর্থ সিনিয়র বোলারদের অবদানের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন নাহিদ রানা। দলের অন্যতম দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামকে নিয়ে তিনি বলেন, "শুরুতে তাসকিন ভাই আর শরিফুল ভাই বেশ ভালো বোলিং করে চাপ তৈরি করেছেন। বিশেষ করে তাসকিন ভাই আমাকে সবসময় ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন এবং মাঠ ও মাঠের বাইরে সবসময় ভালো করার পরামর্শ দেন।"
নাহিদ রানার এমন আগ্রাসী বোলিং ও আত্মবিশ্বাসী মনোভাব পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ টেস্টে বাংলাদেশকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখবে বলেই বিশ্বাস কোটি ক্রিকেট ভক্তের।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...