বিজ্ঞাপন
সংগঠনের সভাপতি নজমুল হকের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। তিনি শুরুতে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান এবং সভার মূল এজেন্ডাগুলো সবার সামনে উপস্থাপন করেন।
এরপর সভাপতির আহ্বানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিগত দিনের সম্পাদিত কার্যক্রমের বিবরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সভায় আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বৃহৎ পরিসরে একটি পুনর্মিলনী বা মিলন অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে কোনো একটি উন্মুক্ত স্থানে এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করার বিষয়টি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
আলোচনা চলাকালীন একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রস্তাব করেন, এই আয়োজনকে আরও বেশি প্রাণবন্ত, বৃহৎ ও আন্তরিক করতে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যদেরও এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সবার সম্মতিতে এই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়।
অনুষ্ঠানটিকে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
পরবর্তীতে সভায় সংগঠনের ট্রেজারার বা কোষাধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্য ও আর্থিক রূপরেখা পেশ করেন। মিলনমেলার সামগ্রিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করার জন্য ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি শক্তিশালী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার প্রস্তাব গৃহীত হয়, যার কাঠামোতে একজন আহ্বায়ক, দুইজন যুগ্ম আহ্বায়ক ও একজন ট্রেজারার রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গঠিত এই নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে এনামুল হক সর্দারকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল জলিলকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। নবগঠিত এই প্রোগ্রাম কমিটির পরবর্তী প্রস্তুতিমূলক সভা আগামী ১৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় গার্ডেন টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হবে বলে সভায় জানানো হয়। সবশেষে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...