বিজ্ঞাপন
রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচর এলাকায় মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, আজকে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের দুর্দশা লাঘবে যখন যা কিছু করা প্রয়োজন, তার সব কিছুর দিকেই সুনির্দিষ্ট নজর রাখছেন। তিনি জনগণের প্রত্যেকটি দাবির প্রতি পূর্ণ মর্যাদা দিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করছেন। সেই দিক বিবেচনায় রেখে আমরা সব সময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমান সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে এবং এর মধ্যে প্রতিটি জায়গায় আমরা জনগণের পাশে থেকে তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।
মেঘনা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী আরও বলেন, সরেজমিনে এসে দেখলাম এখানকার অনেক বাজার, স্কুল, কলেজ ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে একটি আস্ত স্কুল ভেঙে পড়েছে। এমতাবস্থায় এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভাঙন প্রতিরোধে ইতিমধ্যে জরুরি কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সবাই একসাথে সমন্বিতভাবে কাজ করলে স্থানীয় মানুষ দ্রুত এর সুফল পাবে।
ভাঙন পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...