বিজ্ঞাপন
রোববার (১৭ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযোগের তীর উঠেছে উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রাসেল সিকদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উৎপল চন্দ্র দাস ও মো. মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা সরকারি কৃষি প্রণোদনা বিতরণে স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নিয়ে আসছেন। তারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে প্রকৃত কৃষকদের বঞ্চিত করছেন বলেও অভিযোগ করেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগপন্থি কিছু ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের মাধ্যমে প্রণোদনার তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে অনিয়ম করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দকৃত কৃষি সহায়তা প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছানোর পরিবর্তে একটি প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে বণ্টন করা হয়েছে।
কৃষকদের আরও অভিযোগ, সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার জন্য কৃষি অফিসে গেলে অনেকের কাছ থেকেই অর্থ দাবি করা হয়। এছাড়া তেল ফসল উন্নয়ন, পার্টনার প্রকল্প, চর উন্নয়ন ও ক্লাইমেট প্রকল্পসহ চলমান বিভিন্ন কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচির প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবে বাস্তবায়ন না করেই বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পৌর কৃষকদলের সভাপতি ইউনুস আলী, হাবিব খান, রাবেয়া, রমিজ খান, মনিরুল ইসলামসহ শতাধিক কৃষক।
এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তার দ্রুত অপসারণ এবং প্রকৃত কৃষকদের মাঝে স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি প্রণোদনা বিতরণের দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রাসেল সিকদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উৎপাল চন্দ্র দাস ও মো. মঞ্জুরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা বলেন, “আমি চলতি মাসে যোগদান করেছি। এ বিষয়ে আমার জানা নেই।”
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...