বিজ্ঞাপন
রোববার (১২ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে জাকারিয়া ইসলাম বাবু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে নিয়মিত অ্যালটমেন্টের মাধ্যমে গড়ে মাত্র ১০০ জন শিক্ষার্থী সিট বরাদ্দ পান। এমন পরিস্থিতিতে নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘হল অ্যাটাচমেন্ট’ ফি নেওয়া হলেও সবার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে প্রশাসনের সুস্পষ্ট অবস্থান জানানো প্রয়োজন।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হলের মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। অথচ ১৫টি ব্যাচে অধ্যয়নরত প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্য কীভাবে হলের আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
একই সঙ্গে তিনি জানতে চান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, নাকি অধিকাংশ শিক্ষার্থী সিট না পেয়েও ‘হল অ্যাটাচমেন্ট’ ফি পরিশোধ করতে বাধ্য হবে।
জাকারিয়া ইসলাম বাবু তার পোস্টে দাবি করেন, যেহেতু নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল ফি নেওয়া হয়েছে, তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য হল বরাদ্দ নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি মাসে নির্ধারিত হারে ভর্তুকি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের বৈষম্য ও অন্যায় চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...