বিজ্ঞাপন
আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৯ সিপিসি-১-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরনবী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া শফিক ডাকাতের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামে। সে দীর্ঘদিন ধরে নবীনগরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১১ মে নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শফিক ডাকাতকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সে সময় তার সশস্ত্র সহযোগীরা আকস্মিকভাবে র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলায় চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন, যাদের পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর শফিক ডাকাতকে আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান শুরু করে র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায়, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা হয়। গত রাতে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ যৌথভাবে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানার বাউন্ডারিঘাট এলাকার একটি বাসায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৯ সিপিসি-১-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরনবী বলেন, শফিক ডাকাতের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফিসহ বিভিন্ন থানায় ১৫টিরও বেশি মামলা রয়েছে। এমনকি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন প্রকাশ্যে একজনকে নির্মমভাবে হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও সন্ত্রাস দমনে শফিক ডাকাতের বাকি সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...