বিজ্ঞাপন
গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক। তিনি ওই গ্রামের হাজী কায়েম উদ্দিন ফকিরের ছেলে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই বিকেলে কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছড়া গ্রামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঠিক ওই সময়ে মামলার বাদী ইমদাদুল হক তার সহযোগীদের নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়। তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর করে এবং তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান জানান, মহাসড়ক অবরোধ, নাশকতা সৃষ্টি, বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি রুজু করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবারই তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহারনামীয় বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...