বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের মতিগঞ্জ যাত্রী ছাউনির ভেতরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডির বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তায় মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সিআইডির প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয়। তিনি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা গ্রামের শামছুর আলী বাড়ির সোনা মিয়ার ছেলে নুর হোসেন। সিআইডির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কর্ণফুলী থানা পুলিশের মাধ্যমে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে নুর হোসেনের স্ত্রী ও স্বজনরা ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানান, নুর হোসেন তিন সন্তানের জনক ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ ছিল না।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে নুর হোসেনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোনাগাজী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...