Logo Logo

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও লিফলেট বিতরণ


Splash Image

দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লিফলেট বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে জেলা শহরের গোকরণঘাট বাজার, তিতাস নদীর ঘাট এলাকা, স্থানীয় জেলে পল্লীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় ডিমওয়ালা মা মাছ, পোনা মাছ আহরণ এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ মাছ আহরণ বন্ধ এবং পরিবেশবান্ধব মাছ চাষে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহামেদ, সোহেল রানা ভূইয়া, মাহফুজুর রহমান পুষ্পসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হলে ডিমওয়ালা মা মাছ এবং পোনা মাছ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং এর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যেই মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন জেলে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা পেলে তারা তা যথাযথভাবে অনুসরণ করবেন। তারা বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তবে জেলেদের অভিযোগ, এখনও কিছু অসাধু ব্যক্তি পোনা মাছ আহরণ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত, যা দেশীয় মাছের উৎপাদনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহামেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি নিরাপত্তায় মৎস্যসম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এ সম্পদ সংরক্ষণে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে তিতাস নদীসহ বিভিন্ন খাল-বিল থেকে মাছ ধরার সময় পোনা জাতীয় ছোট মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ ও জেলেদের মধ্যে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বার্তা তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...