ছবি: সংগৃহীত।।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্ত দিয়ে ভারতের এই বিশেষ সৌজন্য উপহার বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
এর আগে গত ৩০ জুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য দেশের সুস্বাদু আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আম উপহার পাঠানো হয়েছিল। মূলত সেই আম উপহারের ফিরতি সৌজন্য হিসেবেই এবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই আনারস পাঠালেন।
বুধবার দুপুরে আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় (জিরো পয়েন্টে) এক আনুষ্ঠানিকভাবে উপহার হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দফতরের সচিব অপূর্ব রায়, রাজ্যের উদ্যান ও ভূমি সংরক্ষণ পরিচালক ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া এবং আগরতলা কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট দেবাশীষ নন্দী উপস্থিত থেকে চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তা পঙ্কজ জ্যোতি দাস ও সজীব চক্রবর্তীর কাছে উপহারের আনারস হস্তান্তর করেন।
উপহার হস্তান্তর শেষে ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের কৃষি সচিব অপূর্ব রায় সাংবাদিকদের জানান, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠিয়ে যে শুভকামনা জানিয়েছিলেন, এটি তারই ভালোবাসার ফিরতি উপহার। এই ধরনের সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।”
উপহারের এই আনারসগুলো শিগগিরই ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উপহার গ্রহণ ও হস্তান্তরের এই ঐতিহ্যবাহী মুহূর্তে সীমান্ত এলাকায় আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ইনচার্জ মো. আলাউদ্দিন, আখাউড়া কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাহিদ হাসানসহ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি ও বিএসএফ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এই ধরণের 'উপহার কূটনীতি' বা 'ফল কূটনীতি' দুই প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...